প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
আইআরজিসি: বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে সফল হামলা চালানো হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা: বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র হামলামানামা/তেহরান: বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তর 'জুফাইর' (Juffair) ঘাঁটি লক্ষ্য করে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। তেহরানের দাবি, গত শনিবার ইরানের একটি পানিশোধনাগারে মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।হামলার কারণ ও আইআরজিসির বক্তব্যআইআরজিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাহরাইনের এই ঘাঁটি থেকেই মার্কিন বাহিনী ইরানের কেশম দ্বীপের পানিশোধনাগারে হামলা চালিয়েছিল। এর প্রতিবাদে আইআরজিসি তাদের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ‘কঠিন ও তরল জ্বালানিচালিত’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জুফাইর ঘাঁটিতে আঘাত হানে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো এই অভিযানকে মার্কিন "সন্ত্রাসবাদের" বিরুদ্ধে একটি সরাসরি জবাব হিসেবে অভিহিত করেছে।সৌদি আরবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হানাএদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির রিয়াদ সংলগ্ন প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট (প্রতিহত) করতে সক্ষম হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির ধ্বংসাবশেষ একটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে, ফলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর তৎপরতাঅন্যদিকে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি অবস্থানে অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। এই হামলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গিভাতি ব্রিগেডের দুইজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তারা জবাবে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর একটি ইউনিটকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।আঞ্চলিক পরিস্থিতির অবনতিগত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।টার্গেট: কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো এখন ইরানের মূল লক্ষ্যবস্তু।ক্ষয়ক্ষতি: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র মতে, এই সংঘর্ষে অঞ্চলে এ পর্যন্ত কয়েকশ মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর