প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৫
ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষকের অপকর্ম ফাঁস। বিচারের দাবি এলাকাবাসির
||
রিপোর্টার: সাব্বির হোসেনঝিনাইদহ, মহেশপুর থানার ১০ নং নাটিমা ইউনিয়নের মান্দারতলা ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মো :সোয়ারাপ হোসেন অপকর্মে অতিষ্ঠ ষষ্ঠ শ্রেণির নারী শিক্ষার্থী অভিভাবকরা, কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন উঠেছে, যে বিগত দিনে ষষ্ঠ শ্রেণির নারী শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে হেনোস্তার শিকার হচ্ছে এই শিক্ষকের কাছে। এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থী অভিভাবকদের চরম হতাশা উত্তেজনা বিরাজমান। সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: সোয়ারাপ হোসেন বাড়ি যশোর চৌগাছা থানার ১১নং সুখপুকরিয়া ১নং ওয়াডের রসুলপুর গ্রামে। বেশ কয়েক বার প্রধান শিক্ষক কাছে বিচার, দিলেও কোন কাজে আসেনি বলে জানান শিক্ষার্থী অভিভাবকরা, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিলো কয়েকদিন যাবত সরকারি প্রধান শিক্ষক ষষ্ঠ শ্রেণির নারী শিক্ষার্থীদের উপর অশ্লীল অঙ্গী ভঙ্গি মাধ্যমে গায়ে হাত দিত এমন অবস্থাতে নারী শিক্ষার্থী অভিভাবক যা বলছে। এমন চললে ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সকল ছাত্রীরা টিসি নিয়ে অন্য মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভর্তি করাবেন। নিজেদের মেয়েদের সুরক্ষার জন্য এমনটাই করবেন বলে জানান,অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষকের অপসরণের দাবিও করেন। তাতে এলাকার মানুষ ফুসে উঠেছে। কয়েকটি এলাকা নিয়ে একটি শিক্ষকা প্রতিষ্ঠান যেমন গয়েশপুর, ধান হারিয়া, আলিপুর, কালিপুর, ইদ্রাকপুর, হঠাৎ পাড়া, নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায়,সুনাম এর সাথে প্রতিষ্ঠানটি চললেও সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: সোয়ারাপ হোসেন এমন কর্মকান্ডে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম এখন বদনামে পরিনিত হয়েছে। এর আগে অনেক শিক্ষক একটু মর্যাদার সাথে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে গেছেন কিন্তু এই সহকারী প্রধান শিক্ষকের মত দূর চরিত্র ও বাটপার সরকারী প্রধান শিক্ষক মতো কেউ ছিলেন না, ২থেকে ৩ শত নারী শিক্ষার্থী মধ্যে প্রায় দেড় ডর্জন মেয়ে শিক্ষার্থী এই শিক্ষকের অনৈতিক অপকর্মের শিকার। কয়েকবার এই অপকর্মের বিষয়ে বসবাসি হলেও কোন ফলশ্রুতি কাজে আসেনি। নারী শিক্ষার্থী নিয়ে অনেক বার বসলেও কোন সুরাহা করতে পারিনি প্রধান শিক্ষক আনারুল ইসলাম।এমন কথা জানান সাধারণ মানুষ। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে খুবই উত্তপ্ত মান্দারতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। তবে এলাকার মানুষ জানান, চৌগাছা ১১ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বাড়ি রসুলপুর গ্রামে হলেও তিনি থাকেন পাসের থানা মহেশপুর বসোবাস করেন। জানা গেছে নিজ বাড়ি তৈরি করে তিনি রয়েছেন। তবে এই অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: সোয়ারাপ হোসেন মুঠো ফোন যোগাযোগ করলে ফোনে পাওয়া যায়নি,বিদ্যালয় শিক্ষক পরিচয় গোপন রেখে বলেন। মো: সোয়ারাপ হোসেন শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যায় করেছেন। এই অন্যায় ক্ষমার যোগ্যে নয়। ইদ্রাকপুর জাতীয় আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় একটি অভিভাবকগন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। যেন অকপটে এমন ওর নৈতিক কাজে কোন শিক্ষক এই ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ করার দুঃসাহস না পায় এমনটাই দাবি বলে জানিয়েছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর