প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৫
গুলশান বনানী চুল্লা শাহীনের কর্মকাণ্ড দখলদারিত্ব চাঁদাবাজি খবর ভাইরাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরব
||
মাহবুব সরদার বনানীর বিষফোঁড়া পদবী বিহীন কথিত যুবদল নেতা চুল্লা শাহীন এখন তালা শাহীন নামে সুপরিচি চাঁদা না দিলে তালা ঝুলিয়ে দেয় নিজের মুখে স্বীকারোক্তি কল রেকর্ড আমাদের দপ্তরে রয়েছে। এবং ইতিপূর্বে whatsapp এর মাধ্যমে সাংবাদিককে দেখে নিব বলে হুমকি দিয়েছেন কথিত এই নেতা। কল রেকর্ড স্পষ্ট বুঝা যায় শাহীন নিজেকে বিশাল মাপের নেতা দাবি করে বলেন বনানী থানা ওসি রাসেল এর নির্দেশে তালা দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলার বাহিনীর কতটুকু উন্নতি! সাংবাদিক সংগঠন চাঁদা না দেওয়ায় তালা মেরে দেওয়া হুকুম দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বিতর্কিত চাঁদাবাজ অভিযুক্ত চুল্লা শাহীন ওরফে তালা শাহিনের কথার সত্যতা যাচাই করতে বনানী ওসি রাসেল কে ফোন দিলে তিনি মিটিং এর ব্যস্ত বলে ফোন কেটে দেন। তথ্যসূত্রে জানা যায়। বনানীতে কথিত যুবদল শাহীনের নামে দখলদারিত্ব চাঁদাবাজির অভিযোগ অহরহ। তবুও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে তার বন্ধুত্ব আচরণ থাকার সুবাদে কেউ তাকে কিছুই করতে পারে না। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির সিনিয়র স্থানীয় নেতাদেরকেও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এই চাঁদাবাজ শাহিনের বিরুদ্ধে। বনানী ১৯ নং ওয়ার্ড মস্ত বড় নেতা সে। গুলশান বনানীতে যুবদলের ব্যানার লাগিয়ে চূল্লার শাহীন এখন মস্ত বড় নেতা এমনি তথ্য মিলেছে। একাধিক অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। বেপরোয়া গতিতে দখল বাণিজ্য চ্যাম্পিয়ন শুনতে চায় না কারো কথা।সিনিয়র নেতা কর্মীদের দাবি শক্তিশালী সংগঠন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।এখন বিএনপি ধ্বংস করার নতুন পাঁয়তারা কার্যক্রম চলমান বনানীতে কথিত কিছু নামধারী নেতা।রাজনীতি ব্যানারে চাঁদাবাজি অহরহ এমনি অভিযোগ। বনানীতে ড্রাইভার শাহীন নামের চিহ্নিত চুল্লা শাহীন। ৫/৮/২৪/তাং পড়ে জীবন বদলে গেছে। আগের মত ড্রাইভারি পেশা আর নেই। বনানী এখন তিনি আলোচিত নেতা। দখল দায়িত্ব সহ সেলফি বাজিতে সেরা শাহীন। দখলদারিত্বে নিয়ন্ত্রণে মুসা বাহিনী নামে সবার জানা।কথিত যুবদল নেতা শাহীন নামে অভিযোগ অনেক। গুলশান বনানী রিপোর্টার ইউনিট কার্যালয় মিষ্টি খাওয়ার সালামি না দিলে তালা খোলা যাবে না।তার নেতৃত্বে তালা লাগিয়ে দেন মুসা শাহীনের ক্যাশিয়ার। গুলশান বনানী নেতা কর্মীরা জানান থানা পুলিশের সাথে তার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সেই সুবাদে শাহীন মানুষকে আওয়ামী লীগের তকমা লাগিয়ে দেন। ক্যাসিয়ার মুসা বাহিনী দিয়ে চলে অমানবিক নির্যাতন। এর পড়ে দরকষাকষি। গুলশান, বনানী, মিনিবার, শহীদের স্পা পার্টনার এমনটা জানিয়েছেন শহীদ। সকল কিছুই শাহীন গং এর দখলে এমনই অভিযোগ। শুধু এখানেই শান্ত নয়, চুল্লা শাহীন, বনানীতে আতঙ্কের নাম।সর্বোপরি গুলশান বনানী রিপোর্টার্স ইউনিট তার থাবা থেকে রক্ষা পায়নি।শাহীনের অপরাধ কর্মকাণ্ড বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ কাছে চুল্লা শাহীন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন শাহীন দলের কিছুই না। অতএব যুব দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা অপকর্ম করবে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর