প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে টিকটক, বকশীগঞ্জের এক ছাত্রীকে
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্কুল ইউনিফর্ম পরে মডেল মসজিদে টিকটক ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা এক ছাত্রীকে বহিষ্কার করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের দাবি, ওই ভিডিওর কারণে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, আবার অনেকে একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয়টি মানবিকভাবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু বিতর্কজানা গেছে, সিনথিয়া আক্তার শান্তা নামের ওই ছাত্রী স্কুল ড্রেস পরে উপজেলার একটি মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।ভিডিওতে স্কুল ইউনিফর্ম ব্যবহার এবং ধর্মীয় স্থানে ভিডিও ধারণের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা দেখা দেয়। এর জেরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।বিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনাদেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয় বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দাবি, স্কুলের শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।সামাজিক মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে মতঘটনার পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। একপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের সামাজিক আচরণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় কঠোরতা প্রয়োজন। অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন, কিশোর বয়সের একটি ভুলের জন্য বহিষ্কার অত্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত হতে পারে।শিক্ষাবিদদের কেউ কেউ বলছেন, এমন ঘটনায় শাস্তির পাশাপাশি কাউন্সেলিং ও সচেতনতাও জরুরি। কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতায় অনেক শিক্ষার্থী না বুঝেই বিতর্কিত কনটেন্টে জড়িয়ে পড়ছে।মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বানস্থানীয় সচেতন মহলের একটি অংশ মনে করছে, শিক্ষার্থীদের ভুল সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তারা বলছেন, সামাজিক চাপে একজন কিশোরী মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারে, তাই এ ধরনের ঘটনায় ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।অন্যদিকে অভিভাবকদেরও সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রমের বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে।তদন্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষাঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত আসবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুর কাদের জিলানী
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর