দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শুক্রবার, ০২ আগস্ট ২০২৪

কাওলা সাংবাদিক রোমানা সাঞ্জুকে হত্যার হুমকি দক্ষিন খান থানায় জিডি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড়

কাওলা সাংবাদিক রোমানা সাঞ্জুকে হত্যার হুমকি দক্ষিন খান থানায় জিডি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড়

লুফথানসার ঘোষণা: ২৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকছে দুবাই রুটের সব ফ্লাইট

মার্কিন তেল ট্যাংকারে হামলা ইরাকে: ভারতীয় ক্রুর মৃত্যুতে শোকের ছায়া

জ্বালানি যুদ্ধের দোরগোড়ায় বিশ্ব: ইতিহাসের বৃহত্তম তেল সরবরাহ সংকটের ব্যবচ্ছেদ

সাহসী সাংবাদিক জাহিদ ইকবালের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অপচেষ্টা, ক্ষোভে ফুঁসছে সাংবাদিক মহল

"শ্রীলঙ্কার মহানুভবতা: সমুদ্র থেকে উদ্ধার হওয়া ইরানি নাবিকরা পাচ্ছেন বিনামূল্যে ভিসা"

"খামেনি হত্যার প্রতিশোধ? সৌদি আরবে ইরানের হামলায় হতাহত ১৪

জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই: দেশীয় উৎপাদনেই মিটছে পেট্রল-অকটেনের বড় অংশ

হানিয়ার হত্যা গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য সহায়ক হবে না : বাইডেন

হানিয়ার হত্যা গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য সহায়ক হবে না : বাইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার নিহত হওয়া গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি সংলাপের জন্য কেনোভাবেই সহায়ক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, ইসমাইল হানিয়ার সাম্প্রতিক নিহতের ঘটনা গাজায় যুদ্ধবিরতির সংলাপকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহায়ক হবে কি না; উত্তরে বাইডেন বলেন, “না, এটি সহায়ক হবে না। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে আমার। তাকেও আমি এই কথা বলেছি।”

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরানে গিয়েছিলেন হামাসের শীর্ষ নেতা ও রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া। তেহরানের যে বাসভবনে তিনি উঠেছিলেন, সেখানেই এক দেহরক্ষীসহ নিহত হন হানিয়া।

এখন পর্যন্ত হত্যার দায় কেউ স্বীকার করেনি, তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা সরাসরি সংশ্লিষ্ট, সে সম্পর্কে নিশ্চিত প্রায় সবাই।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস ও তার মিত্রগোষ্ঠী প্যালেস্টাইনিয়ান ইসলামিক জিহাদের প্রায় ১ হাজার যোদ্ধা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে তারা হত্যা করে ১ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনিকে সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে ২৪০ জনকে গাজায় ধরে নিয়ে যায় তারা।

অতর্কিত এই হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধার করতে ওইদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), যা এখনও চলছে। অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ লাখ। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় পুরো গাজা উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংস্তূপে।

এই যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলের সরকার ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র। এই তিন দেশের তৎপরতাতেই গত নভেম্বরে এক সপ্তাহের অস্থায়ী বিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। তারপর চলতি বছরের শুরু থেকে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য তৎপরতা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


হানিয়ার হত্যা গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য সহায়ক হবে না : বাইডেন

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৪

featured Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার নিহত হওয়া গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি সংলাপের জন্য কেনোভাবেই সহায়ক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, ইসমাইল হানিয়ার সাম্প্রতিক নিহতের ঘটনা গাজায় যুদ্ধবিরতির সংলাপকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহায়ক হবে কি না; উত্তরে বাইডেন বলেন, “না, এটি সহায়ক হবে না। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে আমার। তাকেও আমি এই কথা বলেছি।”

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরানে গিয়েছিলেন হামাসের শীর্ষ নেতা ও রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া। তেহরানের যে বাসভবনে তিনি উঠেছিলেন, সেখানেই এক দেহরক্ষীসহ নিহত হন হানিয়া।

এখন পর্যন্ত হত্যার দায় কেউ স্বীকার করেনি, তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা সরাসরি সংশ্লিষ্ট, সে সম্পর্কে নিশ্চিত প্রায় সবাই।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস ও তার মিত্রগোষ্ঠী প্যালেস্টাইনিয়ান ইসলামিক জিহাদের প্রায় ১ হাজার যোদ্ধা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে তারা হত্যা করে ১ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনিকে সেই সঙ্গে জিম্মি হিসেবে ২৪০ জনকে গাজায় ধরে নিয়ে যায় তারা।

অতর্কিত এই হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধার করতে ওইদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), যা এখনও চলছে। অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ লাখ। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর গোলায় পুরো গাজা উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংস্তূপে।

এই যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলের সরকার ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র। এই তিন দেশের তৎপরতাতেই গত নভেম্বরে এক সপ্তাহের অস্থায়ী বিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও হামাস। তারপর চলতি বছরের শুরু থেকে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য তৎপরতা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর